প্রিয় পাঠক আজকের এই পোস্টে আমরা জানতে চলেছি যে আপনি কি প্রকৃত পুরুষ কিংবা আপনি কি প্রকৃত নারী এ সম্পর্কে।
প্রকৃত পুরুষ কখনোই নন্মাহ হারাম কোন মেয়ের ইনবক্সে অপ্রয়োজনে মেসেজ দেয় না। আর ভালো মেয়েরাও নন্মাহ হারাম ছেলেদের ইনবক্সে অপ্রয়োজনে মেসেজ দেয় না। বিপদের লিঙ্গের কারো সাথে চ্যাট করে না। আর এই বলেও কোন বলিয়া উড়ায় না, যে চ্যাটে কথা বললে কোন গুনাহ নেই। প্র্যাকটিসিং মুসলিম ভাই বোনেরা এই ফাঁদে পড়ে যান। কোন নন্মা হারাম আপনাকে মেসেজ দিলে রিপ্লাই দিবেন না।
কারণ শয়তান চাইবে আপনাকে ফিতনার মায়াজালে ভাসিয়ে নিতে। শয়তান বারবার আপনাকে মনে করিয়ে দিবে দ্বীনের দাওয়াতের গুরুত্ব ও ফজিলত। আপনি আপনার ঘরের ভাই বোন মা বাবা চাচা চাচি সবাইকে ছেড়ে একজন অপরিচিত নন্ম হারাম যার সাথে কথা বলা হারাম তাকে কেন দিনের দাওয়াত দিতে যাবেন।
ইনবক্সে কোন নন্মা হারাম মেয়ের সাথে অবাক চ্যাটিংয়ে লিপ্ত থাকা কোন পুরুষের চারিত্রিক গুণাবলী হতে পারেনা একজন চরিত্রবান পুরুষ মেয়ে দেখলেই দৃষ্টি নামিয়ে নেয়।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেছেন:
তোমরা জেনার ধারের কাছেও যেও না।
আর আমরা আমাদের বিপরীত লিঙ্গের নন্মা হারাম পার্সনদেরকে তাদের ইনবক্সে গিয়ে দিনের দাওয়াত দেই। আপনি যে রবের দিন প্রচারের বাহানে তার সাথে কথা বলছেন সেই রব আপনাকে তার ধারে কাছেও যেতে না করেছেন। প্রিয় ভাই ও বোনেরা ফেসবুকে কী আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার দৃষ্টির বাইরে।
কোরআন তো বলে:
নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা সব শুনেন । সব দেখেন। সূরা লোকমান আয়াত নাম্বার ২৮।
বর্তমান সময়ের সারা জাগানো এক নতুন ফিতনার নামই হলো এই দ্বীনি ভাই কিংবা বোন। নিঃসন্দেহে পাপ করে পাপ না মনে করা এটা আরো অনেক বড় পাপ কাজে লিপ্ত থাকে এই দ্বীনি ভাই ও বোনেরা। এরা নন্মা হারাম পারসনের সাথে কথা বলে তো বলে। আবার এটাকে অনেক সাওয়াবের কাজ মনে করে।ভাবে আরে আমি তো দ্বীন প্রচারের স্বার্থে কথা বলছি সুতরাং আমি দ্বীন প্রচারের কারণে অসংখ্য অগণিত সোয়াব কামিয়ে ফেলছি।
কেন ভাই? তুমি কি তোমার ঘরে পাড়া মহল্লায় স্কুল কলেজে ইউনিভার্সিটিতে আর কাউকে খুঁজে পাওনি দাওয়াত দেওয়ার জন্য। যে নন্মা হারাম মেয়েটিকে তোমার দীনি দাওয়াত দিতে হবে। কেন ফেসবুকে তো আরো অনেক ভাই আছে। তুমি তাদেরকে কেন দ্বীনি দাওয়াত দেওয়ার দাওনা। তাদেরকে কেন তুমি ইনবক্সে পরম যত্নে ইসলামটাকে বোঝাও না।
আর বোন তোমাকে বলছি, অনলাইনে কি মেয়ের অভাব পড়েছে? যে এই ছেলেটাকেই তোমার দ্বীনি দাওয়াত দিতে হবে। শয়তানের এই দ্বীনি দাওয়াতের খোলস পড়া ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসো। নিজেকে আবিষ্কার কর হালাল মুক্ত বাতাসে।
